এপ্রিল-জুন

যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রি বৃদ্ধির পূর্বাভাস

গাড়ির চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গাড়ির চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পূর্বাভাসের পাশাপাশি বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির কারণে সামনের মাসগুলোয় দেশটিতে গাড়ির দাম বাড়তে পারে। খবর রয়টার্স।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কক্স অটোমোটিভের পূর্বাভাস অনুসারে, জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন গাড়ি বিক্রি প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৪১ লাখ ৮০ হাজার ইউনিটে পৌঁছাবে।

এদিকে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মোবিলিটির প্রধান বিশ্লেষক ক্রিস হপসন বলেন, ‘বছরের দ্বিতীয়ার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) নতুন গাড়ির ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ আরো বাড়তে পারে। কারণ বাজারে গাড়ির দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।’

কক্সের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে গাড়ি বিক্রিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকতে পারে জেনারেল মোটরস। এরপর থাকবে টয়োটা মোটর নর্থ আমেরিকা ইউনিট ও ফোর্ড।

প্রতিবেদন অনুসারে, আমদানীকৃত গাড়ির ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক ঘোষণার পর মূল্য সংবেদনশীল ক্রেতাদের মধ্যে চাহিদা বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়েছে গত প্রান্তিকের বিক্রিতে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে সেই বাড়তি চাহিদা এখন কমে এসেছে।

কক্স অটোমোটিভের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ চার্লি চেসব্রো বলেন, ‘এপ্রিল ও মে মাসে যেসব ক্রেতা আগাম গাড়ি কিনে ফেলেছেন, তাদের চাহিদা মিটে গেছে। ফলে সামনের মাসগুলোয় ভোক্তা চাহিদা দুর্বল হতে পারে।’

কক্স পূর্বাভাসে আরো বলছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে টেসলার গাড়ি বিক্রি গত বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ কমে যেতে পারে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন গাড়ির গড় দাম ৫০ হাজার ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে।

অপেক্ষাকৃত কম দামের গাড়ির ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে। এ ধরনের গাড়ির মধ্যে রয়েছে ফোর্ডের ছোট আকারের ম্যাভেরিক পিকআপ ট্রাক ও জিএমের সাশ্রয়ী শেভ্রোলে ট্র্যাক্স ক্রসওভার মডেল।

আরও